পুতুলের ভোজ
পুতুলের মা খুকি আজ ভয়ানক ব্যস্ত। আজ কিনা ছোট্ট পুতুলের জন্মদিন, তাই খুব খাওয়ার ধুম লেগেছে। ছোট্ট টেবিলের ওপর ছোট্ট-ছোট্ট থালাবাটি সাজিয়ে, তার মধ্যে কি চমৎকার করে খাবার তৈরি করে রাখা হয়েছে। আর চারদিকে সত্যিকারের ছোট্ট...
Share your poems|
Find readers who feel them. Earn from every read and every gift.
Publish poems, stories and essays in your own language. Line breaks stay exactly as you wrote them.
Readers react, comment, follow and share. Climb the weekly leaderboard.
Every unique read earns coins, and readers can send you gifts. Withdraw your earnings anytime.
পুতুলের মা খুকি আজ ভয়ানক ব্যস্ত। আজ কিনা ছোট্ট পুতুলের জন্মদিন, তাই খুব খাওয়ার ধুম লেগেছে। ছোট্ট টেবিলের ওপর ছোট্ট-ছোট্ট থালাবাটি সাজিয়ে, তার মধ্যে কি চমৎকার করে খাবার তৈরি করে রাখা হয়েছে। আর চারদিকে সত্যিকারের ছোট্ট...
রাজবাড়িতে যাবার যে পথ, সেই পথের ধারে প্রকাণ্ড দেয়াল, সেই দেয়ালের পাশে ব্যাঙেদের পুকুর। সোনাব্যাঙ, কোলাব্যাঙ, গেছোব্যাঙ, মেঠোব্যাঙ—সকলেরই বাড়ি সেই পুকুরের ধারে। ব্যাঙেদের সর্দার যে বুড়ো ব্যাঙ, সে থাকে দেয়ালের ধারে,...
ছাতার মালিক তারা দেড় বিঘৎ মানুষ। তাদের আড্ডা ছিল, গ্রাম ছাড়িয়ে, মাঠ ছাড়িয়ে, বনের ধারে, ব্যাঙ-ছাতার ছায়ার তলায়। ছেলেবেলায় যখন তাদের দাঁত ওঠে নি, তখন থেকে তারা দেখে আসছে, সেই আদ্যিকালের ব্যাঙের ছাতা। সে যে কোথাকা...
ফসলের ডাকঃ ১৩৫১ কাস্তে দাও আমার এ হাতে সোনালী সমুদ্র সামনে, ঝাঁপ দেব তাতে। শক্তির উন্মুক্ত হাওয়া আমার পেশীতে স্নায়ুতে স্নায়ুতে দেখি চেতনার বিদ্যুৎ বিকাশ: দু’পায়ে অস্থির আজ বলিষ্ঠ কদম; কাস্তে দাও আমার এ হাতে। দু’চোখে...
শ্যামল ঘন বকুলবন- ছায়ে ছায়ে যেন কী সুর বাজে মধুর পায়ে পায়ে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
পৃথিবী রয়েছে ব্যস্ত কোনখানে সফলতা শক্তির ভিতর, কোনখানে আকাশের গায়ে রূঢ় মনুমেণ্ট উঠিতেছে জেগে, কোথায় মাস্তুল তুলে জাহাজের ভিড় সব লেগে আছে মেঘে, জানি নাকো;―আমি এই বাংলার পাড়াগাঁয়ে বাঁধিয়াছি ঘর: সন্ধ্যায় যে দাঁড়ক...
পুরানো কালের কলম লইয়া হাতে লিখি নিজ নাম নূতন কালের পাতে। নবীন লেখক তারি ’পরে দিনরাতি লেখে নানামতে আপন নামের পাঁতি। নূতনে পুরাণে মিলায়ে রেখার পাকে কালের খাতায় সদা হিজিবিজি আঁকে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
শেষের মধ্যে অশেষ আছে, এই কথাটি, মনে আজ্কে আমার গানের শেষে জাগ্চে ক্ষণে ক্ষণে। সুর গিয়েছে থেমে, তবু থাম্তে যেন চায় না কভু, নীরবতায় বাজ্চে বীণা বিনা প্রয়োজনে। তারে যখন আঘাত লাগে বাজে যখন সুরে- সবার চেয়ে বড় যে গান...
হিমাদ্রির ধ্যানে যাহা স্তব্ধ হয়ে ছিল রাত্রিদিন, সপ্তর্ষির দৃষ্টিতলে বাক্যহীন শুভ্রতায় লীন, সে তুষারনির্ঝরিণী রবিকরস্পর্শে উচ্ছ্বসিতা দিগ্ দিগন্তে প্রচারিছে অন্তহীন আনন্দের গীতা। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
ভজনমন্দিরে তব পূজা যেন নাহি রয় থেমে, মানুষে কোরো না অপমান। যে-ঈশ্বরে ভক্তি কর, হে সাধক, মানুষের প্রেমে তাঁরি প্রেম করো সপ্রমাণ। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
কেবল থাকিস স’রে স’রে, পাস নে কিছুই হৃদয় ভরে। আনন্দভাণ্ডারের থেকে দূত যে তোরে গেল ডেকে, কোণে বসে দিস নে সাড়া— সব খোয়ালি এমনি করে॥ জীবনকে আজ তোল্ জাগিয়ে, মাঝে সবার আয় আগিয়ে। চলিস নে পথ মেপে মেপে, আপনাকে দে নিখিল ব্য...
ভৈরবী অয়ি ভুবনমনোমোহিনী! অয়ি নির্মলসূর্যকরোজ্জ্বল ধরণী জনকজননী-জননী! নীলসিন্ধুজলধৌত চরণতল, অনিলবিকম্পিত শ্যামল অঞ্চল, অম্বরচুম্বিত ভাল হিমাচল, শুভ্রতুষারকিরীটিনী! প্রথম প্রভাত-উদয় তব গগনে, প্রথম সামরব তব তপোবনে, প্রথম...
সভায় তোমার থাকি সবার শাসনে। আমার কণ্ঠে সেথায় সুর কেঁপে যায় ত্রাসনে। তাকায় সকল লোকে, তখন দেখতে না পাই চোখে কোথায় অভয় হাসি হাস আপন আসনে॥ কবে আমার এ লজ্জাভয় খসাবে, তোমার একলা ঘরের নিরালাতে বসাবে। যা শোনাবার আছে গাব ঐ...
দিকে দিকে দেখা যায় বিদর্ভ, বিরাট, অযোধ্যা, পাঞ্চাল, কাঞ্চী উদ্ধতললাট— স্পর্ধিছে অম্বরতল অপাঙ্গ-ইঙ্গিতে, অশ্বের হ্রেষায় আর হস্তীর বৃংহিতে, অসির ঝঞ্ঝনা আর ধনুর টংকারে, বীণার সংগীত আর নূপুরঝংকারে, বন্দীর বন্দনারবে, উৎসব-উ...
আমার এই পথ-চাওয়াতেই আনন্দ। খেলে যায় রৌদ্র ছায়া, বর্ষা আসে বসন্ত। কারা এই সমুখ দিয়ে আসে যায় খবর নিয়ে, খুশি রই আপন মনে, বাতাস বহে সুমন্দ॥ সারাদিন আঁখি মেলে দুয়ারে রব একা। শুভশন হঠাৎ এলে তখনি পাব দেখা। ততখন ক্ষণে ক্ষ...
Get the Kothakoli app
Free on Android