অক্ষয় মার্জিত
বড়লোকি ভ্যাম
ঠং করে এক আওয়াজ হলো, ভাঙলো কাঁচের গ্লাস,
অমনি আপনার ঠোঁটের ডগায় ছুটলো সর্বনাশ!
কাজের মাসীর চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে ছাড়েন?
ভুলে গেছেন? এই মাসীই আপনার হেঁশেল নাড়েন!
বাসন তিনি মাজেন রোজই, করেন জলের ঘাট,
সাবান-ফেনায় পিছলে গেলে কেন এতো রাগের চাট?
গ্লাসটা তো ভাই তাঁর হাতেই ভাঙার কথা ছিল,
তাঁর হাতেই তো সকাল-বিকেল বাসন মাজা হলো!
নরম হাতের নরম বাবু, নেলপলিশের সাজ,
একদিন শুধু করতে গেলে এঁটো বাসনের কাজ—
গ্লাস তো ছাই অনেক দূরের, ভাঙতো শখের ঘটি,
দু'দিনেই আপনার কোমরে টান, সব হতো পরিপাটি!
তাই বলি কি, গলার ওই জঘন্য সুর কমান,
মানুষ তো সেও, রক্ত-মাংস আপনারই তো সমান।
আপনি মাজলে গ্লাসটা কবেই গুঁড়ো হতো ম্যাম,
কাজের লোকের কদর বুঝুন, ছাড়ুন এসব ভ্যাম!
মন্তব্য ও পছন্দ করতে লগইন করুন।
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!