স্বতঃসিদ্ধ
মৃত্যুর মৃত্তিকা ’পরে ভিত্তি প্রতিকুল— সেখানে নিয়ত রাত্রি ঘনায় বিপুল; সহসা চৈত্রের হাওয়া ছড়ায় বিদায়: স্তিমিত সুর্যের চোখে অন্ধকার ছায়। বিরহ বন্যার বেগে প্রভাতের মেঘ রাত্রির সীমায় এসে জানায় আবেগ, ধুসর প্রপঞ্চ-বিশ...
মৃত্যুর মৃত্তিকা ’পরে ভিত্তি প্রতিকুল— সেখানে নিয়ত রাত্রি ঘনায় বিপুল; সহসা চৈত্রের হাওয়া ছড়ায় বিদায়: স্তিমিত সুর্যের চোখে অন্ধকার ছায়। বিরহ বন্যার বেগে প্রভাতের মেঘ রাত্রির সীমায় এসে জানায় আবেগ, ধুসর প্রপঞ্চ-বিশ...
[ ১৮৬৪ খ্রীষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত ] হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদক শ্রীসজনীকান্ত দাস বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষৎ ২৪৩/১, আপার সারকুলার রোড, কলিকাতা-৬ প্রকাশক শ্রীসনৎকুমার গুপ্ত বঙ্গীয়-সাহিত্য-পরিষৎ প্রথম সংস্করণ— আষাঢ়, ১৩...
যে রত্ন সবার সেরা তাহারে খুঁজিয়া ফেরা ব্যর্থ অন্বেষণ। কেহ নাহি জানে, কিসে ধরা দেয় আপনি সে এলে শুভক্ষণ। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
৴১০ দেড় আনা। ভারতভিক্ষা। শ্রীহেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রণীত। দ্বিতীয় সংস্করণ। কলিকাতা। শ্রীবিপিনবিহারী রায় দ্বারা মুদ্রিত ও রায় প্রেস্ ডিপজিটরীতে প্রকাশিত। এপ্রেল, ১৮৮০। ভারতভিক্ষা। (আরম্ভ) কি শুনি রে আজ-পূরি আর্...
মুক্ত যে ভাবনা মোর ওড়ে ঊর্ধ্ব-পানে সেই এসে বসে মোর গানে। — স্ফুলিঙ্গ (1945)
ঝড়ে যায় উড়ে যায় গো আমার মুখের আঁচলখানি। ঢাকা থাকে না হায় গো, তারে রাখতে নারি টানি। আমার রইল না লাজলজ্জা, আমার ঘুচল গো সাজসজ্জা, তুমি দেখলে আমারে এমন প্রলয়মাঝে আনি, আমায় এমন মরণ হানি॥ হঠাৎ আকাশ উজলি কারে খুঁজে কে ও...
একদিন যদি আমি কোনো দূর মান্দ্রাজের সমুদ্রের জলে ফেনার মতন ভাসি শীত রাতে—আসি নাকো তোমাদের মাঝে ফিরে আর—লিচুর পাতার ’পরে বহুদিন সাঁঝে যেই পথে আসা-যাওয়া করিয়াছি,—একদিন নক্ষত্রের তলে কয়েকটা নাটাফল তুলে নিয়ে আনারসী শাড়ির...